স্মার্ট ম্যারাথনে বিজয়ী হলেন ১৯ জন

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১০:০৫  

শুক্রবার ভোরে (১৬ ফেব্রুয়ারি) স্মার্ট বাংলাদেশের রূপকল্প ২০৪১ ছুঁতে রূপক দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলো রাজধানীর হাতির ঝিলে। সুস্থ-সবল স্মার্ট নাগরিকদের এই দৌড়ে চার ক্যাটাগরিতে (নারী, পুরুষ, পঞ্চাশোর্ধ্ব ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তি) অংশ নেন ২০৪১ জন অপেশাদার দৌড়বিদ।

এই দৌড়ে শামিল হন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকও। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন এবং ৬৮ মিনিট সময় নিয়ে নির্ধারিত লক্ষ্য অতিক্রম করেন তিনি। তার সঙ্গে দৌঁড়েছেন দৌড় আয়োজক আইসিটি বিভাগের সচিব সামসুল আরেফিন, এটুআই নীতি উপদেষ্টা আনীর চৌধুরীও।

সকাল ৬টায় হাতিরঝিলের এম্ফিথিয়েটারের সামনের অংশ হতে শুরু হয়ে পুরো হাতিরঝিল ৭.৫ কি.মি. ঘুরে এম্ফিথিয়েটারে এসে দৌড় প্রতিযোগিতাটি সম্পন্ন হয়। এসময় নারী, পুরুষ, বয়স পঞ্চাশোর্ধ্ব ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এই চার বিভাগে সবমিলিয়ে ২০৪১ জন অপেশাদার দৌড়বিদ অংশ নেন। ৭.৫ কি.মি. ক্যাটাগরিতে আলাদা আলাদা ইভেন্টে অংশ নেন নারী-পুরুষ ও ৫০ বছরের বেশি বয়সের দৌড়বিদরা। আর ১ কি.মি. ক্যাটাগরিতে দৌড়ান প্রতিবন্ধী দৌড়বিদরা। চিপ টাইমিং সিস্টেমে ইভেন্টের বিজয়ী নির্ধারণ করা হয়।

চার বিভাগে সবমিলিয়ে ১৯ জন বিজয়ীকে আর্থিক পুরস্কার, সনদপত্র ও মেডেল প্রদান করা হয়। এছাড়া সকল দৌড়বিদদের রেস জার্সি ও মেডেল প্রদান করা হয়। দৌড়ে চ্যাম্পিয়ন হন একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। রানার্সআপ হয়েছেন হুইল চেয়ারে দৌড়ে।

প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক বলেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজন সুস্থ-সবল, অসম্প্রদায়িক, প্রগতিশীল চেতনার দেশপ্রেমিক স্মার্ট নাগরিক। স্মার্ট রানের সময় যেমন ৭৫ মিনিট, তেমনি স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্ধারণ করে দিয়েছেন ১৭ বছর। এই ১৭ বছরে আমাদের যার যার জায়গা থেকে যার যার দায়িত্বটা একজন দেশপ্রেমিক, প্রগতিশীল, উদ্ভাবনী ও সমস্যা সমাধানকারী নাগরিক হিসেবে পালন করবো এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবো।

এসময় এটুআই’র প্রকল্প পরিচালক মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা, যুগ্ম প্রকল্প পরিচালক মোল্লা মিজানুর রহমান, প্রজেক্ট ম্যানেজার মাজেদুল ইসলাম, হেড অব কালচার অ্যান্ড কমিউনিকেশনস পূরবী মতিন উপস্থিত ছিলেন।